বাংলা কর্ড- Bangla Guitar Chords, Tabs, Lyrics MP3 Songs

বাংলা ভাষায় সব ধরনের গানের সঠিক কর্ড ও ট্যাব

আপনি প্রবেশ করেননি। সাইটের পুরো সুবিধা (যেমন গান অনুসন্ধান) নিতে হলে লগইন করুন।

ঘোষণা

আপাতত আর কোন সদস্য নেয়া হচ্ছে না। আপনার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। বিশেষ কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে চাইলে admin এট banglachord.com এ ইমেইল করুন।

#১ ২০০৮-০৩-০২, রাত ৪:১৯

আলমগীর
এডমিন
নিবন্ধিত: ২০০৮-০২-২৫
পোস্ট: ৫৪

মাঝারি কঠিন পাঠ-২: স্কেল ও কর্ডের গঠন পদ্ধতি

খসড়া- ভুল থাকতে পারে।

আগের পাঠে আমরা জেনেছিলাম যে বারোটি নোট থেকে বাছাই করা কিছু নোটকে স্কেল বলে। বাছাই করার পদ্ধতি আবার ভিন্ন হতে পারে, যার উপর নির্ভর করে স্কেলের নাম। এ পাঠে আমরা স্কেলের গঠন সম্পর্কে জানব। স্কেলের ধারনা পোক্ত হলে পরে কর্ডের গঠন সম্পর্কে জানব। স্কেলের প্রথম নোটকে রুট (root) নোট বা মূল নোট বা কি (key) নোট বলে।

স্কেলের গঠন


স্কেল বা কর্ডের নিয়ম শেখার আগে আমরা বারোটি নোটকে বৃত্তাকারে সাজাব। এতে কোন নোটের আগে বা পরে কোন নোট আছে তা খুব সহজে ধরা যাবে। সুবিধার জন্য আমরা নোটগুলোকে ঘড়ির কাটা ঘুরার দিকে সাজিয়েছি। নিচের ছবিতে দেখুন। 

C নোটকে ১নং ধরলে ৫নং নোটটা কী হবে? উত্তর E (C তে আঙুল রেখে গুণে গুণে ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরে ৫নং নোটে যান)। G কে ১নং নোট ধরে ৭নং নোটটা কী হবে? উত্তর C# (G তে আঙুল রেখে গুণে গুণে ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরে ৭নং নোটে যান)।

ইন্টারভেল: দুটো নোটের মাঝে দূরত্বকে ইন্টারভেল বলে। ইন্টারভেল মাপা হয় হাফ-নোট (Half note) বা হোল-নোট (Whole note) দিয়ে। একটা হোল-নোট দুটো হাফ-নোটের সমান। হাফ-নোটকে H, হোল-নোটকে W দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন, C ও D এর মধ্যে দূরত্ব হলো এক হোল-নোট; E ও F এর মধ্যে দূরত্ব এক হাফ-নোট।

ক্রোমাটিক স্কেল: বারোটি নোটের সবগুলোকে নিয়ে গঠিত হয় ক্রোমাটিক স্কেল (স্বরগম)। অন্যভাবে বললে, ক্রোমাটিক স্কেলের প্রতিটি নোটের মধ্যকার ইন্টারভেল হাফ-নোট। ক্রোমাটিক স্কেল নিজে থেকে ব্যবহৃত হয়  না। অন্য সব স্কেল গঠন করা হয় ক্রোমাটিক স্কেল থেক।

মেজর স্কেল:
মেজর স্কেল গঠনের নিয়ম হলো : রুট-W-W-H-W-W-H-অক্টেভ
তার মানে, আমরা যদি C থেকে শুরু করি, C নিবো, C থেকে হোল-নোট দূরত্ব, অর্থাৎ D নিব, D থেকে হোল-নোট দূরত্বে থাকা E নিব, E এর পর হাফ-নোট ব্যবধানে থাকা  F নিব। এভাবে, সবশেষ গিয়ে আবার মূল নোট C পাব। এগুলো আমাদের সি মেজর স্কেলের নোট। এক C থেকে পরের C পর্যন্ত নোটগুলোকে এক অক্টেভ বলে।

আমরা যদি D থেকে শুরু করি, তবে নোটগুলো হবে: D, E, F#, G, A, B, C#, D
Bb থেকে শুরু করলে হবে: Bb, C, D, Eb, F, G, A, Bb

মাইনর স্কেল:
মাইনর স্কেল গঠনের নিয়ম হলো : ১(রুট)-W-H-W-W-H-W-(অক্টেভ)
তার মানে, আমরা যদি C থেকে শুরু করি, C নিবো, C থেকে হোল-নোট দূরত্ব, অর্থাৎ D নিব, D থেকে হাফ-নোট পরে Eb নিব, Eb থেকে হোল-নোট দূরে F নিব। এভাবে, শেষে গিয়ে আবার মূল নোট C পাব। এগুলো আমাদের সি মাইনর স্কেলের নোট।

আমরা যদি A থেকে শুরু করি: A, B, C, D, E, F, G, A   (লক্ষ্য করবেন, এগুলো কিন্তু সি মেজর স্কেলেরও নোট)
E থেকে শুরু করলে: E, F#, G, A, B, C, D, E

পেন্টাটোনিক স্কেল: পেন্টাটোনিক স্কেলে মাত্র ৫টি নোট থাকে। পাঁচটি নোট বাছাই করার একাধিক উপায় আছে বলে পেন্টাটোনিক স্কেলও ভিন্ন হয়। প্রধান দুটি পেন্টাটোনিক হলো: পেন্টাটোনিক মেজর ও পেন্টাটোনিক মাইনর।

পেন্টাটোনিক মেজর গঠনের নিয়ম হলো: (রুট) - W - W - WH - W - (অক্টেভ)
সিতে ধরলে, নোটগুলো হবে: C,  D,  E,  G,  A, C

পেন্টাটোনিক মাইনর গঠনের নিয়ম হলো: (রুট) - WH - W - W - WH - (অক্টেভ)
সিতে ধরলে, নোটগুলো হবে: C,  Eb,  F, G,  Bb, C

মেজর স্কেলের সাথে মেজর পেন্টাটোনিক, এবং মাইনর স্কেলের সাথে মাইনর পেন্টাটোনিক স্কেল বাজানো যায়। রক গানের লিডে পেন্টাটোনিক স্কেলের বহুল ব্যবহার হয়।

গিটারে স্কেলের অবস্থান:
আমরা সব স্কেলের সব নোট মুখস্ত করব না। গিটারে বিশেষ নিয়মে টিউনিং করা হয় বলে, স্কেলগুলো ফ্রেটবোর্ডের বিশেষ অবস্থানে পাওয়া যায়। আবার, গিটারে একই নোট ভিন্ন তারে আছে বলে, একই স্কেল একাধিক অবস্থানে বাজানো যায়।  সহজে মনে রাখার জন্য পরের পাঠে আমরা সহজ কিছু প্যাটার্ন শিখব।

গানের লিড বা রিফ ভাল বাজাতে হলে, স্কেল সম্পর্কে খুব ভাল ধারনা থাকতে হবে, পারত পক্ষে পুরো ফ্রেটবোর্ড মুখস্ত রাখতে হবে। 

কর্ডের গঠন


কোন স্কেলের দুই বা ততোধিক নোট নিয়ে এক সাথে বাজালে তাকে কর্ড বলে। কিন্তু স্কেলের সবগুলো নোট থেকে দুই বা ততোধিক নোট বাছাই করার কয়েক লক্ষ উপায় আছে। এদের সবগুলোই কর্ড নয়। নোট বাছাই করার কিছু নিয়ম আছে যাতে বাছাইকৃত নোটগুলো একসাথে বাজালে কানে শ্রুতিমধুর শোনায়। এ ধরনের নিয়মও আবার কয়েক ডজন। আমরা প্রাথমিক কিছু নিয়ম শিখব।

মেজর কর্ড: মেজর কর্ড গঠন করা হয় মেজর স্কেলের ১, ৩ আর  ৫নং নোট নিয়ে। যেমন C মেজর কর্ডে C (১নং),  E(৩ নং)  ও G(৫ নং) নোট থাকবে। কর্ডের নামকরণ করা হয় প্রথম নোটের নাম দিয়ে। আর মেজর বোঝাতে maj ব্যবহৃত হয়। অনেক সময়  কিছুই দেয়া হয় না এতেও মেজর কর্ড বোঝায়। নীচে কিছু মেজর কর্ডের গঠনকারী নোট দেয়া হলো-
কর্ড   => নোট
C     => C E G
D    = D F# A
F    = F A B

গানের মধ্যে সুখ বা আনন্দ অনুভুতি বোঝানোর জন্য মেজর কর্ড ব্যবহৃত হয়।

মাইনর কর্ড: মাইনর স্কেলের ১, ৩ আর ৫ নং নোট দিয়ে হয় মাইনর কর্ড।  উদাহরণ- A মাইনর কর্ডে  A(১নং), C(৩নং),   E(৫নং) নোট থাকবে। মাইনর কর্ডের প্রয়োগ হয় বিষাদ বা দুঃখ বোঝাতে।

সেভেন্থ কর্ড: স্কেলের (মেজর বা মাইনর) মূল কর্ডের সাথে ৭নং নোট জুড়ে দিলে হয় সেভেন্থ কর্ড (ডমিন্যান্ট সেভেন্থও বলে)। সেভেন্থ কর্ড ব্যবহৃত হয় আর্তস্বর বা আকুতি প্রকাশ করার সময়।  যেমন  D7 কর্ড হয়, D F# A নোটগুলোর সাথে স্কেলের সপ্তম নোট C জুড়ে দিয়ে।

কোন স্কেলে কোন কর্ড


একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, যে কোন স্কেলে যে কোন কর্ড তৈরী করা সম্ভব না। কারণ, সব স্কেলে সব নোট নেই। যেমন, সি মেজর স্কেলে আমরা F মাইনার কর্ড বানাতে পারব না। কোন স্কেলে কোন কোন কর্ড হওয়া সম্ভব বা বাজানো যাবে তার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, ব্যতিক্রমও আছে। আমরা সেসব নিয়মের মধ্যে না গিয়ে একটা চার্টের মাধ্যমে সহজে মনে রাখার চেষ্টা করব।


গিটারে কর্ড বাজানো:
গিটারে তারগুলো বিশেষ নিয়মে ভিন্ন নোটে টিউন করা থাকে বলে ফ্রেটের বিভিন্ন অবস্থানে আঙুল দিয়ে তার চেপে ধরে ভিন্ন কর্ড বাজানো হয়।
যেমন- স্ট্যান্ডার্ড EBGDAE তে টিউন করা গিটারে আমরা D মেজর কর্ড বাজানোর জন্য

  • ১নং তারের ২নং ফ্রেট (মানে F# নোট)

  • ২নং তারের ৩নং ফ্রেট (মানে D নোট)

  • ৩নং তারের ২নং ফ্রেট (মানে A নোট)

  • ৪নং তার খোলা (মানে D নোট)


বাজাব। (বাজানোর সময় অন্যগুলোতে আঘাত করার দরকার নেই।) তার মানে তারগুলো বাজালে ডি মেজর কর্ডের নোটগুলোই  (DF#A) কেবল বাজবে।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন এডমিন (২০০৮-০৩-১৩, সকাল ৭:০৪ )


পোস্ট করা সব কর্ড আমার নিজের করা। কোনমতেই তা অন্য ফেরামে প্রকাশ করা যাবে না।
বিস্তারিত কপিরাইট নোটিশ ও ব্যাখ্যা

অফলাইন

 

Board footer

ফোরাম চালাচ্ছে পানবিবি
পানবিবির © কপিরাইট ২০০২–২০০৫ রিকার্ড এন্ডারসন
সব কর্ড/ট্যাব, গিটার পাঠ, টিউটোরিয়ালের কপিরাইট বাংলা কর্ড
কপিরাইট নোটিশ ও ব্যাখ্যা

Valid XHTML 1.0 Transitional Valid CSS!